- আজ
গাজীপুর টিভি ডেস্ক | ০৪ নভেম্বর ২০২৩ | ২:৫১ অপরাহ্ণ
হামাস ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে গতকাল শুক্রবার প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়েছেন লেবাননের শিয়া ইসলামি গোষ্ঠী হেজবুল্লাহর প্রধান নেতা হাসান নাসরাল্লাহ। যদিও এরইমধ্যে গোষ্ঠীটির যোদ্ধারা লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াই করছে। আশঙ্কা রয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে হিজবুল্লাহ। যদিও ইরান সমর্থিত এ গোষ্ঠীকে যুদ্ধে না জড়াতে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
গতকাল হাসান নাসরাল্লাহ বলেছেন, গাজায় চলমান সংঘাত ও বেসামরিক নাগরিক মারা যাওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র দায়ী এবং গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা চলতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
গতকাল হাসান নাসরাল্লাহ তার বক্তব্য শুরু করেন ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে ‘শহীদ’ হওয়া হিজবুল্লাহ সদস্য ও ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। তিনি ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতরে হামাস যোদ্ধাদের হামলারও প্রশংসা করেন। তবে তিনি অভিযোগ তুলেন, গাজায় চলমান সংঘাতের দায় পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের এবং ইসরায়েল এখানে নির্বাহী মাত্র।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার তীব্রতা বাড়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হিজবুল্লাহর আক্রমণের মাত্রাও বেড়েছে। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত তাদের সংঘাত লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর দুই পক্ষই বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে নিজেদের বিরত রেখেছে।
কিন্তু হিজবুল্লাহ প্রধানের আগ্রাসী বক্তব্যের পর এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। হিজবুল্লাহ লেবাননের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এবং সেখানকার সবচেয়ে বড় সশস্ত্র বাহিনীও তাদেরই। এর অর্থ তাদের সিদ্ধান্তের ওপর তাদের শত্রু ও মিত্র দুই পক্ষেরই পরবর্তী পদক্ষেপ অনেকাংশে নির্ভর করে। হামাসের মতো হিজবুল্লাহকেও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মত পশ্চিমা পক্ষগুলো সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে।
ইসরায়েলের সঙ্গে ২০০৬ সালে কয়েক মাসব্যাপী যুদ্ধে জড়িয়েছিল হিজবুল্লাহ। আবারো সেই ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লেবাননের অনেকে মানুষই এখন আতঙ্কিত।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | ৭ |
| ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ |
| ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ | ২১ |
| ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ | ২৬ | ২৭ | ২৮ |
| ২৯ | ৩০ | ৩১ | ||||