• আজ

    বৃষ্টির কারণে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ-মুরগি-সবজি

    বৃষ্টির কারণে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ-মুরগি-সবজি

    গাজীপুর টিভি ডেস্ক | ০৭ অক্টোবর ২০২৩ | ১০:২২ পূর্বাহ্ণ

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে। এত বেশি বৃষ্টি ভরা বর্ষা মৌসুমেও হয়নি বলছেন আবহাওয়াবিদরা। ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত জনজীবন। এদিকে, বৃষ্টির অজুহাতে বেড়েছে মাছ, মুরগি ও সব ধরনের সবজির দাম।

    সবজি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে পণ্যের সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। সরবরাহ কম থাকার কারণে আড়ৎদাররা দাম বাড়িয়েছেন। সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম। তবে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা।

    খুচরা সবজি ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টির কারণে আড়ৎদাররা প্রতিটি সবজির দাম বাড়িয়েছে। আমাদের বেশি দামে কিনে স্বল্প লাভে বিক্রি করতে হচ্ছে।

    বাজারে আসা ক্রেতা বলেন, সব জিনিসের দামই বেড়েছে। কোনো কিছুই আর কম নেই। ৫০ টাকার নিচে সবজি নেই। আলু, পেঁয়াজ সব কিছুরই দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, এত দাম খাবো কী? আমাদের তো আর আয় বাড়ছে না। এখন যদি বৃষ্টির কারণে দাম বাড়ে, নির্ধারতি দর করার পরও তবে তো আমাদের কিছু করার নেই। সরকারি সংস্থার মাধ্যমে বাজার তদারকি করতে হবে। তা না হলে আমাদের মতো পরিবারে বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।

    এদিকে, এ সপ্তাহে বেড়েছে মাছের দাম। প্রতি কেজি পাঙাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কই প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, দেশি কই ৬৫০ টাকা, বড় তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, ছোট তেলাপিয়া ২০০।

    এছাড়াও ইলিশ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায়। বাগদা চিংড়ি ৯০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১২০০ টাকা, চিংড়ি মাঝারি ১৩০০ টাকা, বোয়াল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা কেজি, প্রতি কেজি পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬০০ টাকায়।

    এ সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকা কেজি দরে। দেশি মুরগি বিক্রি হয়েছে ৪৫০ টাকা কেজিতে। পাতিহাঁস বিক্রি হয় ৪৫০ টাকা কেজিতে। এই সপ্তাহে মুরগির লাল ডিম ৪৮ টাকা হালি, সাদা ডিম ৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার টাকা।

    রাজশাহী জেলা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা অফ্রিন হোসেন বলেন, রাজশাহীতে ভারী বৃষ্টিতে বাজারে সরবারহ নেই। তাই সবজি, পেঁয়াজ কাচামরিচ এসব কিছুর দাম বেড়েছে। মূলত সরবারহ না থাকায় দাম বেড়েছে। আমরা মনিটরিং করছি, আমরা আশা করছি সব কিছুর দাম আবারও স্বাভাবিক হবে।

    Comments

    comments

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১